আ.ন.ম শফিকুল হক

প্রকাশিত : এপ্রিল ২৩, ২০১৭ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

বিশ্বনাথের প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে আ.ন.ম শফিকুল হক সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন।
আ.ন.ম শফিকুল হক  দৌলতপুর ইউনিয়নের মৌলভির গাঁও গ্রামে ১৯৪৮ সালের ১লা  ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৌলভী তবারক আলী ও মাতার নাম মোছা.খয়েরুন নেছা। স্নাতক ডিগ্রী লাভের পর শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্মজীবনের সূত্রপাত ঘটান। সিঙ্গেরকাছ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মৌলভী গাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় তিনি শিক্ষকতা করেন। শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিকদল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। নিজ যোগ্যতা ও নেতৃত্ব প্রদানের অসাধারন দক্ষতা ছিল বলে তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের পদমর্যাদায় অধিষ্টিত হয়ে একটানা ১৮ বছর সাফল্যের সাক্ষর রাখেন। সৈরাচারী দুুঃশাসনের বিরোধিতার জন্য তিনি এরশাদের রোষানলে পতিত হন।

ফলে ১৯৮৭ সালে গণতন্ত্রের স্বার্থে ৫ মাস কারান্তরীন ছিলেন। তাকে ওই সময় অনেক লোভনীয় পদের প্রলোভন দেখানো হলেও তিনি আদর্শচ্যুত হন নি । ২০০২ সালে যোগ্যতা ও কর্মনিস্টা সততার বলে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের  সভাপতি নিযুক্ত হন। তিনি বিশ্বনাথের প্রথম ব্যাক্তি হিসেবে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। ২০০০ সালে জাতিসংঘ মিলেনিয়াম শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা ও সাধারন পরিষদে যোগদান করেন। রাজনীতিচর্চার পাশাপাশি তিনি সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে সব সময় নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন । একজন সৎ ,বিনয়ী ও সদালাপী রাজনীতিবিদ হিসেবে সব মহলে তার একটি আলাদা ইমেজ রয়েছে ।

তিনি সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের উপরোক্ত দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকাকালীন সময়ে তার দল ক্ষমতায় থাকায় সিলেটের উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি ছিলেন খুবই আন্তরিক ও  নিবেদিতপ্রান ব্যাক্তি। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ,মাদরাসা,সড়ক,  ব্রীজ ও  কালভার্ট নির্মানে এবং এর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখেন। তিনি আবাহনী ক্রীড়া চক্র সিলেটের সহ অন্যতম প্রতিষ্টাতা ও –সহ-সভাপতি। রাজনীতিতে প্রবেশের পূর্বে একসময় তিনি সাংবাদিকতার সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। যুগভেরী, সাপ্তাহিক বাংলার বানী ,সাপ্তাহিক খবর ,প্রবাসীর ডাক ,সিলেট সমাচার সহ বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় তিনি লিখতেন । ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন । বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী আ.ন.ম শফিকুল হক এখনও প্রায় ৬৯ বছর বয়সে চিরসবুজ তরুনদের  মত বেশ সক্রিয়। আ.ন.ম শফিকুল হক  মোছাম্মৎ  রাজিয়া খাতুনের সাথে বিবাহ বন্দনে আবদ্দ হন এবং তাদের রয়েছে তিন কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান। আর  বেশ কয়েকজন নাতি নাতনী

অন্যান্য সংবাদ